সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১

কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদ কে নিয়ে গল্পপাঠ ওয়েবজিনের বিশেষ আয়োজন

ওয়াসি আহমেদ বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ ছোট গল্পকার এবং ঔপন্যাসিক। ১৯৫৪ সালের ৩১ অক্টোবর সিলেট জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর লেখালেখির শুরুটা হয় কবিতা দিয়ে। বন্ধু ও প্রকাশক আফসান চৌধুরীর উৎসাহে তাঁর একমাত্র কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল। আশির দশকের মধ্যভাগে  তিনি ছোট গল্পের লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। সেই থেকে ওয়াসি আহমেদের কলম সচল রয়েছে। তিনি প্রচুর ছোট গল্প লিখেছেন। ছোট গল্পের প্রতি একধরনের পক্ষপাতিত্ব থাকলেও ওয়াসি আহমেদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস রয়েছে। তাঁর একটি মাত্র জার্নালধর্মী রচনা 'টিকিটাকা', পাঠকমহলে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে।

 শিশু-কিশোরদের জন্য তিনি লিখেছেন 'এক যে ছিলাম আমি'।
 
ওয়াসি আহমেদ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, জনপ্রিয়তার সাহিত্যিক নন। ওয়াসি আহমেদ আমাদের সময়ের এক গভীরতর কথাশিল্পী, যিনি কাঠামো, আখ্যান ও দর্শনের সাযুজ্যে গল্প নির্মাণ করেন। নির্লিপ্ত এবং অতিকথনের পথ এড়িয়ে কাহিনির আখ্যান গড়ানোর ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ মুন্সিয়ানার সাক্ষর রাখতে সক্ষম। তাঁর রয়েছে নিজস্ব ভাষা শৈলী। যা তাঁর মননশীল পাঠকশ্রেণির কাছে আদরনীয়। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং যুক্তরাজ্যে তাঁর সাহিত্য মূলভাষায় এবং অনুবাদে সঙ্কলিত হয়েছে। তিনি দক্ষতার সাথে দক্ষিণ এশিয়ার ছোটোগল্প সঙ্কলনের সহলেখক এবং সম্পাদনার কাজ করেন। কর্মক্ষেত্রে ওয়াসি আহমেদ একজন উচ্চপদস্হ সরকারী কর্মচারী এবং কূটনীতিক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। কূটনীতিকের দায়িত্ব পালনকালে তিনি পৃথিবীর নানা দেশে ভ্রমণ এবং অবস্হান করেন।  এছাড়াও বেশ কিছু বাংলা এবং ইংরেজি পত্রিকায় তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল রাইটিং গ্রোগ্রামের আওতায় তিনমাসের রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে ২০১৬ তে ওয়াসি আহমেদ বিশ্বের নানা জায়গা থেকে জড়ো হওয়া নবীন-প্রবীণ লেখকদের একজন হয়ে অংশ গ্রহণ করেন।
 
সাহিত্যকীর্তির জন্য এ পর্যন্ত ওয়াসি আহমেদ বেশ কয়েকটি পুরস্কার এবং সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: বাংলা একাডেমি পুরস্কার(২০১৯), আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বছরের সেরা বই পুরস্কার(২০১৫), আইএফআইসি ব্যাঙ্ক সাহিত্য পুরস্কার(২০১৫), প্রথম আলো বর্ষ সেরা বই পুরস্কার(২০১২), জেমিকন সাহিত্য পুরস্কার(২০১০)।
 
বর্ণাঢ্য কর্ম এবং সাহিত্য জীবনের অধিকারী ওয়াসি আহমেদ আরো অনেক বছর আমাদের জন্য লিখবেন এমনটাই চাওয়া। গল্পপাঠ টিম তাঁর কলমের দীর্ঘায়ু কামনা করছে।



ওয়াসি আহমেদের উল্লেখযোগ্য বইয়ের তালিকা: 
ছোটো গল্প:
১. শৈতপ্রবাহ, ২. বক ও বাঁশফুল, ৩. নির্বাচিত গল্প, ৪. ত্রিসীমানা, ৫. সিঙ্গা বাজাবে ইসরাফিল, ৬. তেপান্তরের সাঁকো, ৭. বীজমন্ত্র।
উপন্যাস:
১. তলকুঠুরী গান, ২. মেঘ পাহাড়, ৩. রৌদ্র ও ছায়ার নকশা, ৪. বরফকল।
প্রবন্ধ বা মুক্তগদ্য:
টিকিটাকা



ওয়াসি আহমেদের কয়েকটি নির্বাচিত গল্প:
গল্পপাঠ ইতোমধ্যে কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদের গুটিকয়েক গল্প প্রকাশ করেছে। অল্প কয়েকটি গল্প পড়ে একজন লেখককের সবটা বুঝে ওঠা সম্ভব না। তাঁর লেখাপত্র নিবিড়ভাবে পাঠের মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট লেখক সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা পাওয়া সম্ভব। উপন্যাস, 'টিকিটাকা'র মতো ব্যক্তিগত আলাপচারিতার পাশাপাশি ওয়াসি আহমেদ প্রচুর গল্প লিখেছেন। বিশেষ এই আয়োজনে ওয়াসি আহমেদের আরো কিছু গল্প প্রকাশ করা হলো।


ওয়াসি আহমেদের সাক্ষাৎকার:
কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশের চিন্তা থেকে কুলদা রায় ওয়াসি আহমেদের সাথে যোগাযোগ করেন। ফোনালাপে ওয়াসি আহমেদকে কুলদা রায় তাঁর ইচ্ছার কথা প্রকাশ করলে নিভৃতচারী লেখক ওয়াসি আহমেদ সাক্ষাৎকার বিষয়ে তাঁর সম্মতি দেন। গল্পপাঠ টিমের তৈরি করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ওয়াসি আহমেদ। প্রশ্নের অধিকাংশ জুড়ে আছে তাঁর লেখালেখি- লেখার কলকব্জা। প্রাসঙ্গিক ভাবে আনুষঙ্গিক বেশ কিছু প্রশ্ন এসেছে। ওয়াসি আহমেদ সযত্নে সব প্রশ্নের উত্তর লিখে পাঠিয়েছেন। আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ-সম্পূরক প্র্রশ্ন হয়ত করা যেত। ভবিষ্যতের জন্য সেগুলো তোলা রইল। বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে ওয়াসি আহমেদের এই সাক্ষাৎকার লেখক ও মননশীল পাঠকের জন্য নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোজন। সাক্ষাৎকারের প্রশ্নগুলো তৈরি করেছেন: দীপেন ভট্টাচার্য, কুলদা রায়, রুখসানা কাজল, রুমা মোদক, মোজাফ্ফর হোসেন, সাদিয়া সুলতানা, স্মৃতি ভদ্র এবং নাহার তৃণা। 
 


পাঠপ্রতিক্রিয়া- পাঠভাবনা:
ওয়াসি আহমেদের গল্প-গল্পসমগ্র নিয়ে আলোচনা:
 

তপোধীর ভট্টাচার্য প্রখ্যাত সাহিত্য বিশ্লেষক ও কবি। আসাম কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রাক্তন রবীন্দ্র অধ্যাপক। তপোধী ভট্টাচার্য কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদের গল্প সম্ভারের বেশ কিছু গল্প নিয়ে মনোজ্ঞ আলোচনা করেছেন। তাঁর গল্পপাঠের অনুভূতিতে এসেছে দেশ-বিদেশের নানা বিখ্যাত রচনা-ব্যক্তিত্বের প্রসঙ্গ। একজন সাহিত্য বিশ্লেষকের এমন ঋদ্ধ বিশ্লেষণী আলোচনা পাঠে পাঠক মাত্রই সমৃদ্ধ হবেন। পাশাপাশি যেসব পাঠকেরা এখনও ওয়াসি আহমেদের সাহিত্য পাঠ করেন নি তারা ওয়াসি আহমেদের রচনা পাঠে আগ্রহী হবেন বলে বিশ্বাস। 





ওয়াসি আহমেদের উপন্যাস নিয়ে আলোচনা:


শেফালি বেগম ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি সে মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিতা অসংখ্য মেয়ের যন্ত্রণা, নিগ্রহ ও ক্ষোভের প্রতিভূ হয়ে উঠবে। ঘটনাচক্রে তাকে যখন তা-ই হতে হলো, সে যত না বিস্মিত হলো, বিপদগ্রস্ত বোধ করল অনেক বেশি। পিতৃপরিচয়হীন সন্তানকে নিয়ে পথ চলতে গিয়ে লাঞ্ছনা-গঞ্জনায় পরিত্রাণহীন জীবন তাকে বাধ্য করল কোথাও থিতু না হয়ে পালিয়ে বেড়াতে। কিন্তু তার ভাষায় ‘এট্টুন দ্যাশ, কই যাই’ এ-ই যেন তাকে তার নিয়তিকে চিনিয়ে দিল। সে নিরুদ্দিষ্ট হলো। রেখে গেল তার শিশুসন্তানকে, আর সন্তানের কাঁধে তারই পলায়নপর জীবন। সেই শিশুসন্তান বড় হয়ে অবাক হয়ে লক্ষ করল সে তার মায়ের পদচ্ছাপেই পা ফেলে চলেছে। তার মা পালাত তাকে নিয়ে, সে পালাচ্ছে তার সন্তানকে নিয়ে।
মুক্তিযুদ্ধে প্রাপ্তি হিসাবে বিজয়টা অবশ্যই মহান গৌরবের, তবে মুক্তিযুদ্ধ যে এক অপ্রাপ্তি ও অবিজয়েরও বয়ান, শেফালি বেগম তা দেখে দেখে অপমানে-গ্লানিতে-দুর্ভোগে দিশেহারা হয়ে যা ভেবেছে তা কি তার নিজস্ব, ভ্রান্ত উপলব্ধি? এর জবাব খুঁজতে পাঠককে কিছু প্রশ্নের মোকাবিলা করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের এতকাল পরেও যেসবের মুখোমুখি হতে নানা এজেন্ডাশাসিত রাজনীতি ও দেশপ্রেমের ঘোলা আয়না বাধা হয়ে দাঁড়ায়।  


 মেঘপাহাড় উপন্যাস নিয়ে পাঠ প্রতিক্রিয়া
 
ওয়াসি আহমেদ-এর 'মেঘপাহাড়' উপন্যাসটির মধ্যে আমরা একটি বিষয়কে উপলব্ধি করতে থাকি যা ঘটনা ও চরিত্রের রহস্যময়তাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত খুব নিবিড় বাতাবরণে ব্যক্তির পতনকে আমরা দেখি উপন্যাসের শুরুতেই তার মৃত্যুর পরপর, আর এখান থেকেই আবির্ভূত হতে থাকে উপন্যাসের চরিত্র যা পুরাে আখ্যানকেই নিয়ন্ত্রণ করে যায় কেন্দ্রীয় চরিত্রের বাস্তব উপস্থিতি ছাড়া। ব্যক্তি মৃত কিন্তু চরিত্র ঘটনাকে পরিচালিত করে, ব্যক্তি নেই। কিন্তু এই নেই থেকেই চরিত্র গড়ে উঠতে থাকে উন্মোচনের অন্তস্তলীয় কানাগলিকে সম্বল করে। আবির্ভূত হতে থাকে অন্যান্য চরিত্ররা। মৃতকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হয়, মৃতের গােপনীয় অথচ স্বাভাবিক এক অভিজ্ঞতা অস্বাভাবিক এবং নিন্দনীয় হওয়ার আশঙ্কায় দু-জন ছাড়া অবশিষ্ট চরিত্ররা ঘােরতর চাপাচাপিতে উথাল-পাথাল হতে থাকে। বস্তুত মৃতই যেন কেন্দ্রীয় চরিত্র এ উপন্যাসের। 'মেঘপাহাড়' নিয়ে লিখেছেন:

১. বয়স্কের যৌনবেদনার সুড়ঙ্গবীক্ষণ: কুমার চক্রবর্তী


উপন্যাস 'তলকুঠুরির গান' নিয়ে পাঠ প্রতিক্রিয়া :
 
প্রাচীন সিলেট জেলার নানকার ব্যবস্থায় এ উপন্যাসের বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বিস্তৃত শাখাপ্রশাখায় ব্যাপ্ত হয়েছে বর্তমান কাল অবধি। দ্যুতিময় বর্ণনায় ঠাস-বুনটে এ উপন্যাসে যেমন ধরা হয়েছে নানকার নামের দাসদের হাসি-কান্না, দ্রোহ ও বেদনা, তেমনি তাদের উত্তরসূরির দ্বন্দ্বমুখর জীবনযাপনও। তিনপ্রজন্মের জীবনালেখ্য নিয়ে 'তলকুঠুরির গান' ওয়াসি আহমেদের এক ধ্রুপদি সাহিত্যকর্ম। সেটি নিয়ে লিখেছেন:


ওয়াসি আহমেদের প্রবন্ধ নিয়ে পাঠভাবনা:
 
'টিকিটাকা' ওয়াসি আহমেদের এ পর্যন্ত প্রকাশিত একমাত্র জার্নাল ধর্মী রচনা। প্রথম আলো পত্রিকায় এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পরে মলাটবন্দী বই হিসেবে পাঠকের সামনে আসে। একজন লেখককে প্রথমে পাঠক হতে হয়। প্রচুর পড়াশোনায় ঋদ্ধ হতে না পারলে জানার ক্ষেত্রটা সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। এই বইতে কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদের পাঠ প্রীতির মনোজ্ঞ বিবরণ পাবেন পাঠক। সেই সঙ্গে পাবেন নানান বইয়ের সলুক সন্ধান। বিখ্যাত লোকদের নিয়ে আলাপ, নামকরা বইচোর থেকে শুরু করে কী নেই এতে! বই বিষয়ক মজাদার আড্ডা আলাপের ভেতর পাঠক পাবেন বৈঠকী আমেজ। প্রিয় লেখককে অন্য ভঙ্গিতে দেখতে পাওয়ার এক দারুণ আয়োজন 'টিকিটাকা'।
ওয়াসি আহমেদের সামগ্রিক লেখাজোকা নিয়ে আলাপ:
 
ওয়াসি আহমেদের লেখায় রয়েছে বহুমাত্রিকতা। কথাসাহিত্যের বিভিন্ন মাধ্যমে পদচারণা করেও যে লেখকেরা মূলতঃ একমাত্রিক, তাঁদের উচ্চতা আমরা সহজেই চিহ্নিত করতে পারি। অথচ ওয়াসির লেখার ধরনটা এমন, যে নির্দিষ্ট করে ঔপন্যাসিক, কিংবা গল্পকার, অথবা মুক্ত গদ্যকারের মতো তকমা আঁটানো যায় না তাঁর গায়ে; বিশেষায়িত পরিচয়ের বদলে তাঁকে নিয়ে বলতে হয় সামগ্রিক ভাবেই। আর সেটি করতে গিয়ে ফুটবল প্রিয় লেখক হিসেবে ওয়াসি আহমেদের লেখা প্রসঙ্গে উপমা টেনে সুহান রিজওয়ান ফুটবলের এক বিশেষ কৌশলের মাধ্যমে তাঁকে সংজ্ঞায়িত করে বলেছেন- 'রমডয়টার'। জার্মান শব্দ ‘রমডয়টার’ এর বাংলা পরিভাষা করা যায় ‘শূন্য (ফাঁকা জায়গা) সন্ধানী’।

সুহান মনে করেন- ওয়াসি আহমেদ, আমাদের কথা সাহিত্যে সেই শূন্য সন্ধানী মানুষ। আমাদের আবেগপ্রবণ ছোটগল্প চর্চায় যেখানে অনুপস্থিত থেকেছে রাজনীতি, আমাদের পত্রিকার পাতায় যেখানে দীর্ঘকাল ফাঁকা ছিলো লেখাজোখা নিয়ে সরস আলাপ, আমাদের ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাসের চর্চা যেখানে যেখানে সাধারণভাবে ঘুরে বেড়ায় চেনা কিছু আখ্যানকে কেন্দ্র করেই; ওয়াসি আহমেদ সেখানে ক্রমাগত শূন্যতা পূরণ করেন। একমাত্রিক না হয়ে সত্যিকার অর্থেই তিনি এক বিরল বহুমাত্রিক লেখক, রমডয়টারের মতো যাকে কোনো পজিশনে বেঁধে দেওয়া যায় না।
 


একটা গল্প কীভাবে তৈরি হয়, কীভাবে বর্ণনার মোড়ক খুলে খুলে সাধারণ কাহিনিটা দারুণ এক গল্পের মুখোমুখি করে পাঠককে; সে আলাপ করেছেন কুলদা রায়। ওয়াসি আহমেদের রচনা বিশেষ করে আলোচিত গল্পটির লেখন শৈলীর বিশেষত্ব, গল্পকাঠানো, লেখকের ব্যবহৃত ভাষার বৈশিষ্ট্য, লেখার কলকব্জা ইত্যাদি বিশদে আলোচিত হয়েছে। গল্প লেখকদের জন্য এটি একটি অত্যাবশকীয় পাঠ হিসেবে বিবেচ্য হতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন